“ সবচেয়ে উল্লেখ করার বিষয় এ মেলার ব্যাপারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ওনার 98 তম মন কি বাত অনুষ্ঠানে উল্লেখ করায় ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা ব্যানার্জি শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানোয় মেলার গুরুত্ব বৃদ্ধি পায় ।বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের লেখনি ও পরিবেশনায় আজ কুম্ভ মেলা বঙ্গ ছাড়িয়ে সর্বভারতীয় রূপ নেয়। এজন্য বিশেষ করে কাঞ্চন ব্যানার্জি হৈমন্তী ব্যানার্জি ও শ্রীকান্ত মুখার্জির নাম না করলেই নয়।উক্ত মেলার মুখ্য সংগঠক হিসাবে নিজেকে গর্বিত মনে করি আর গর্বিত হই আমাদের সহযোদ্ধা বন্ধু ,সহযোগী সংগঠন, এলাকার সমস্ত আশ্রম ত্রিবেণীর সমস্ত ক্লাব প্রশাসন ও অধিবাসীবৃন্দের জন্য , এদের ছাড়া এ মেলা করা সম্ভবই হতোনা। ”